শিক্ষা

বিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত

Jamil Saxona আগস্ট ২৪, ২০২৬ 0
বিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) জাতীয় মৎস্য

 

“রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯ টায় ফিশারিজ অনুষদের সামনে থেকে এক  বর্ণাঢ্য রেলি বের হয়। উক্ত রেলিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একাডেমিক ভবনের সম্মুখে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড.মো: সাজেদুল হক এর সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম হেমায়েত জাহান।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম,ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর  প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। আমাদের সংস্কৃতি,অর্থনীতি এবং পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস্য হলো মৎস্য সম্পদ।আমরা যুগের পর যুগ ধরে নদীকে কেবল শাসন করতে চলেছি।বাঁধ দিয়ে,নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে কিংবা পরিকল্পিত অবকাঠামো তৈরী করে নদীকে খাঁচায় বন্দী করার চেষ্টা করছি। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক মৎস্য প্রজনন  ক্ষেএগুলো ধ্বংস হয়েছে, নদীর নাব্যতা কমেছে এবং এতে করে অনেক দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। তিন বলেন, শুধুমাএ নদীকে শাসন করলেই হবে না,মাছের চাহিদা পূরনে নদীকে লালন করতে হবে।

 

এর অর্থ হলো নদীকে তার  নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া, নদীর যত্ন নেওয়া,নদীতে দুষনমুক্ত রাখা  এবং মাছের প্রাকৃতিক  অভয়ারণ্যগুলোকে রক্ষা করা। মাছ যখন নির্বিঘ্নে  ডিম ছাড়ার পরিবেশ পাবে, তখনই আমাদের নদীগুলো  আবার মাছে মাছে ভরে উঠবে।তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের নদী ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের গবেষণা নতুন নতুন প্রযুক্তি ও টেকসই  মৎস্য চাষের মডেল  উদ্ভাবন  করেছেন যা সরাসরি আমাদের জেলে ও চাষীদের মৎস্য উতপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে।পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের  নীলকমল লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষা র্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

শিক্ষা

View more
পবিপ্রবিতে সিরাতুন্নবী (সা:)-২০২৫ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ
পবিপ্রবিতে সিরাতুন্নবী (সা:)-২০২৫ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ

   পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা:)২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার  পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অদ্য ২৪ আগষ্ট দুপুর  ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি অনুষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সিরাতুন্নবী উদযাপন  কমিটির আহবায়ক প্রফেসর এম. জহুরুল  হক এর সভাপতিত্বে  ও ভাইস-চ্যান্সেলর কার্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড.  রাহাত মাহমুদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান।   বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.এবিএম সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)।তিনি কেবল একটি ধর্মের প্রচারক ছিলেন না,বরং তিনি ছিলেন একজন আদর্শ সমাজ সংস্কারক,সফল  রাষ্ট্রনায়ক এবং মানবতার মূর্ত প্রতীক। অন্ধকার ও বর্বরতার যুগে অবতীর্ণ হয়ে তিনি  এক আলোকোজ্জ্বল  ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।তরুন সমাজ যদি তার প্রদর্শিত পথ ও নৈতিকতা নিজেদের জীবনে ধারণ করতে পারে তবে একটি সুন্দর, সাম্যবাদী ও মানবিক সমাজ গঠন করা সম্ভব।   শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাদক, ইভটিজিং, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার হতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাঃ এর জীবন আমাদের শেখায় কিভাবে ভালবাসা,ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা দিয়ে সমাজকে বদলে দেয়া যায়। শিক্ষার্থীদের কেবল তও্বীয় তার জীবনী না পড়ে বাস্তবজীবনে তাঁর প্রতিটি গুণ যেমন নম্রতা,পরোপকার, সদাচার ও দেশপ্রেমের অনুশীলন করা। তবেই একটি মানবিক  ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব। পরে বিশ্ববিদ্যালয়,সৃজণি স্কুল এন্ড  কলেজের  শিক্ষার্থীদের হামদ,নাত,কেরাত,আজান,উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

News আগস্ট ২৪, ২০২৬ 0
বিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত

বিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে স্থাপিত হলো ২১ এসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে স্থাপিত হলো ২১ এসি

স্নাতকোত্তর পর্যন্ত নারীদের পড়ালেখা ফ্রি করবে সরকার: ডা. জুবাইদা

স্নাতকোত্তর পর্যন্ত নারীদের পড়ালেখা ফ্রি করবে সরকার: ডা. জুবাইদা

আ.লীগ আমলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে: সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
আ.লীগ আমলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে: সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

  আওয়ামী লীগ আমলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে কাজ শুরু করেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুরের বিলায়েত খান উচ্চবিদ্যালয়ে আয়োজিত এক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, বিগত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দিয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির এক মানসিক যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। এমন চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবিমুখ করে রাখা হয়েছিল, যার ফলে হতাশায় পড়ে অনেকে অনলাইন জুয়া ও মাদকের ছোবলে জড়িয়ে পড়ে। কারণ ফ্যাসিবাদী শাসক চেয়েছিল শিক্ষার্থীরা যেন মেরুদণ্ড সোজা করে প্রতিবাদ করতে না শেখে। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষা দেওয়ার নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে ফের টেলিভিশনে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতা এখন সংস্কৃতি পেরিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ হিসেবে সারা দেশের খেলার মাঠেও পৌঁছে গেছে। শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রাইভেট পড়ানোর প্রবণতা থেকে বিরত থেকে ক্লাসেই দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত পাঠদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশ শেষে প্রতিমন্ত্রী দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। পরে তিনি এবি ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। কর্মী সভায় লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশীদ পাপ্পু এবং গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম বক্তব্য দেন।

News আগস্ট ৯, ২০২৬ 0
একযোগে ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

একযোগে ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে অবরোধ, স্থবির রাজধানীর একাংশ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে অবরোধ, স্থবির রাজধানীর একাংশ

২০২৮ সাল থেকে নিবন্ধনবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলবে

২০২৮ সাল থেকে নিবন্ধনবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলবে

পবিপ্রবির বিজয়-২৪ হলে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
পবিপ্রবির বিজয়-২৪ হলে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

  পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বিজয়-২৪ হলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) রাত ৮টায় বিজয়-২৪ হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান।বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো: মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নাহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক এম. জহুরুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সোহেল রানা জনি, এ এইচ এম সামিউল হাসান ও মো. জামিউল রিয়ন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান বলেন, "ফল শুধু সুস্বাদু খাদ্য নয়, এটি সুস্থ ও সুষম জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান। মৌসুমি ফল ভিটামিন, খনিজ লবণ, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে   ।গ্রীষ্মকালীন ও বর্ষাকালীন সময়ে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। তাই এই মৌসুমের ফুলগুলোতে পানি ও খনিজের পরিমাণ বেশী থাকে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনই একজন শিক্ষার্থীকে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং নেতৃত্ব বিকাশে এগিয়ে নিয়ে যায়।"তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদান ও পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সহশিক্ষা কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং এ ধরনের স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।"অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মৌসুমি ফল পরিবেশন করা হয়।   পরে অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে ফল উপভোগ করেন- যা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। এ উৎসবে  বিভিন্ন অনুষদের ডিন,বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

News জুন ৩০, ২০২৬ 0
কেন্দ্রের ২০০ গজে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ

কেন্দ্রের ২০০ গজে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ

বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের প্রবন্ধ, থাকবে ওসমান হাদীর বীরত্বগাথাও!

বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের প্রবন্ধ, থাকবে ওসমান হাদীর বীরত্বগাথাও!

২০২৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলাম পাবে: ববি হাজ্জাজ

২০২৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলাম পাবে: ববি হাজ্জাজ

0 Comments