GOVERNMENT POLICIES

প্রধানমন্ত্রী টার্কিশ রহমানের নির্দেশে উত্তর বাংলায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।

তৃতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় জামাইব্রিজ ও পদ্মা বার্জ নির্মাণের সিদ্ধান্ত

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
দ্বিতীয় জামাইব্রিজ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও পদ্মা বার্জের নির্মাণ পরিকল্পনা

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সরকার তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। এগুলো হচ্ছে দ্বিতীয় জামাইব্রিজ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং পদ্মা বার্জ নির্মাণ।

দ্বিতীয় জামাইব্রিজ

সরকার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দ্বিতীয় জামাইব্রিজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ব্রিজটি গৌরনদী ও উত্তর বাংলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে বলে জানানো হয়েছে।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু একটি 'Y' আকারে নির্মিত হবে। এই সেতুর মাধ্যমে পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হবে এবং মানলা সমুদ্রবন্দর, বেনাপোল ও দর্শনা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

পদ্মা বার্জ

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা বার্জ নির্মাণের উদ্দেশ্য শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা করা। এই বার্জ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং নদীর স্বাস্থ্য ভারসাম্য বজায় রাখবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি পদ্মা বার্জের উপর সড়ক যোগাযোগেরও সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অগ্রগতি ও পরবর্তী পদক্ষেপ

সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন যে, ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ হলেই স্থান, ডিজাইন ও প্রকল্প ব্যয় চূড়ান্ত করা হবে। দুটি সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডি চলমান রয়েছে এবং আগামী বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাসমূহের সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী টার্কিশ রহমান এই তিন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Government Policies

View more
ব্যালেন্স স্কেল ও প্রস্তুত পোশাকের চিত্র
প্রস্তুত পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠক

সেগুনবাগিচায় ১১:৩০ টায় প্রস্তুত পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকটি মূলত বুধবার ১৫:০০ টায় নির্ধারিত ছিল, পরে সময় পরিবর্তন করা হয়।মিনিস্ট্রি অব লেবার অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সময় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তরীক রহমানের সাথে শ্রমিকদের মজুরি ও শ্রমিক অবস্হা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন যে তিনি ন্যূনতম মজুরি বোর্ডকে বুধবার বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন।সরকার ১ নভেম্বর ২০২৩-এ ছয় সদস্যের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। আরিফুল হক চৌধুরী ১ নভেম্বর ২০২৩-এ সেক্রেটারিয়েটের একটি প্রেস কনফারেন্সে নতুন বোর্ডের গঠন ঘোষণা করেন।শেখ আশফাকুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও সেশনস বিচারক, বোর্ডের সভাপতি নিযুক্ত হন। এবিএম শামসুদ্দিন ও আসিফ আয়ুব নিয়োগকর্তা পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করেন। আনোয়ার হোসেন ও বাবুল আখতার শ্রমিক পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করেন, এবং মোশেহ লুদিন আহমেদ নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে কাজ করেন।বোর্ড সমস্ত পোশাক শ্রমিকদের পদে ন্যূনতম মজুরি সুপারিশ করবে। সরকার বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেটে নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা ও প্রকাশ করবে।ডিসেম্বর ২০২৩-এ প্রস্তুত পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা নির্ধারিত হয় এবং কার্যকর হয়। শ্রমিকরা ডিসেম্বর ২০২৩-পরবর্তী মাসে বাড়তি মজুরি পেতে শুরু করেন।প্রস্তুত পোশাক খাতের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড সাধারণত পাঁচ বছরে একবার গঠন হয়। ১০ এপ্রিল ২০২৪-এ সংসদ শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পর্যালোচনা সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে তিন বছরে নামিয়ে আনে।এই বৈঠকে বোর্ডের গঠন ও সদস্যদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং ভবিষ্যৎ মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ পুলিশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের প্রতীকী চিত্র

বাংলাদেশ পুলিশ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ বাড়াতে বাজেট ও অর্থ বরাদ্দ

দ্বিতীয় জামাইব্রিজ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও পদ্মা বার্জের নির্মাণ পরিকল্পনা

তৃতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় জামাইব্রিজ ও পদ্মা বার্জ নির্মাণের সিদ্ধান্ত

২০২৭ সালের ছুটির দিনগুলো চিহ্নিত একটি ক্যালেন্ডারের চিত্র

সরকার ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে, ২৯ দিনের ছুটি প্রস্তাব

Prime Minister Tarique Rahman's instructions to strengthen earthquake preparedness and emergency response capabilities
প্রধানমন্ত্রী ভূমিকা নির্দেশ দিয়ে ভূমিকা শক্তিশালী করবেন

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান বাংলাদেশ সেক্রেটারেটে অনুষ্ঠিত সভায় ভূমিকা শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সভার মূল ফোকাস ছিল ভূমিকা শক্তিশালী করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রতিকূলতা নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকলাপগুলো। তারিক রহমান বলেছেন, প্রান্তিক ভবনগুলোকে চিহ্নিত করা এবং জাতীয় ভবন কোড অনুসরণ করা জানান। তিনি দ্রুত প্রশিক্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রভাব কমানোর কথা উল্লেখ করেন। এই সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সহায়তা মন্ত্রণালী অধিকারী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালী মির শাহ আলাম এবং RAJUK চairন ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
মোহাম্মদ মসিউর রহমানের ডিটিসিএ পদ থেকে মুক্তির খবর।

মোহাম্মদ মসিউর রহমানের ডিটিসিএ পদ থেকে মুক্তি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এলপিজির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী এলপিজির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে

ডিএসসিসির ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রমের একটি চিত্র।

ডিএসসিসির ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে ৩ নভেম্বর

সরকার গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

সরকার গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।বোর্ডের প্রথম সভা বুধবার সকাল ১১টায় সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত হবে। সভার সময় পূর্বে দুপুর ৩টায় নির্ধারিত ছিল, যা পরে পরিবর্তন করা হয়েছে।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সময় পরিবর্তনের বিষয়টি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে।বিইজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রমিকদের বেতন ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বুধবার বোর্ডের সভা convene করার অনুরোধ জানান।বোর্ডে নিয়োগকৃত সদস্যদের মধ্যে নিয়োগকর্তা, শ্রমিক এবং নিরপেক্ষ সদস্য রয়েছে। বোর্ডটি শিল্পের সব কাজের জন্য নতুন মজুরি প্রস্তাব করবে, যা সরকার গেজেটে প্রকাশ করবে।আগের মজুরি ছিল টাকার ১২,৫০০, যা ডিসেম্বর ২০২৩ সালে নির্ধারিত হয়েছিল। সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্বিবেচনার সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে তিন বছরে কমিয়ে আনা হয়েছে।সুপার শপ শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ডের সভা আজ অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কর আদায়ের তথ্য তুলে ধরছেন।

এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্যে কর আদায়ের তথ্য প্রকাশ

বাংলাদেশ সোলার এক্সপো মেলার একটি দৃশ্য।

বাংলাদেশ সোলার এক্সপো মেলা ও সরকারের নতুন ঘোষণা

পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা

0 Comments