অর্থনীতি

রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের বিভিন্ন দিক এবং দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সফরে দু-দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে জাপানি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাৎকারের তথ্য জানান।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
জাহেদ উর রহমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও পদক্ষেপ নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন।
জাহেদ উর রহমানের মতামত: বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান একটি মতামত লিখেছেন যেখানে তিনি শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক পদক্ষেপ, আইন-শৃঙ্খলা এবং আইন সংশোধন সম্পর্কে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।লেখক ৫ আগস্টকে একটি উল্লেখযোগ্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান সরকার আট মাস ধরে ক্ষমতায় আছে। চলতি অর্থবছরে সরকার ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করার পরিকল্পনা রেখেছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য মাসিক আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।লেখক জানিয়েছেন, ভিজিএফ ও খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে চালের বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং ভোলার গ্যাসক্ষেত্র দ্রুত কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে।সরকার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা ও নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, একজন সংসদ সদস্য এবং একজন প্রতিমন্ত্রীকে অভিযোগের ভিত্তিতে পদত্যাগ করতে হয়েছে।লেখক অভিযোগ করেছেন, হাসিনা সরকারের আমলে পুলিশের সামরিকীকরণ ঘটেছিল। ৫ আগস্টের আগে মাজার, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা হয়েছিল। সরকার সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং অর্ধেকের বেশি ভোটারের সমর্থন পেয়েছে।তিনি স্বীকার করেছেন, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগ উঠছে। তৃণমূল পর্যায়ে চাঁদাবাজি চিহ্নিত করার কাজ চলছে। নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে কিছু আইন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।লেখক দাবি করেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব-পরিস্থিতি এবং আওয়ামী শাসনামলের লুটপাটের কারণে সংকটে পড়েছে। হাসিনা সরকার দেশী জ্বালানি সম্পদ উন্নয়নে যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য বৃদ্ধির তাগিদ

বাংলাদেশ ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে রূপ দিতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে।বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের ইস্তাম্বুলে কমসেকের ৪২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই অবস্থান তুলে ধরেন।বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিদ্যমান বাধা দূর করা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। তিনি এফটিএ ও পিটিএর রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন।তিনি ডি-৮ সচিবালয়কে চুক্তি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা নিতে এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার অনুরোধ জানান।ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আন্তঃবাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের প্রস্তাব ও আগ্রহ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।বৈঠকে বাংলাদেশের এবং ডি-৮ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: দক্ষিণ এশিয়ার কর্মক্ষম জনগণের ভবিষ্যৎ

বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদন মঙ্গলবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার কর্মক্ষম জনগণের সংখ্যা, তাদের পীক সময় এবং বয়স্ক জনসংখ্যার বৃদ্ধি সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ায় কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ১১৭ কোটি। ২০৪৯ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের কর্মক্ষম জনগণের অনুপাত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। বাংলাদেশে এই পর্যায় ২০৫১ সালে ঘটবে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৪৯ সালের মধ্যে অঞ্চলটি বয়স্ক অর্থনীতিতে পরিণত হবে। তখন ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অনুপাত ১৪ শতাংশ হবে।২০০০ সাল থেকে কর্মক্ষম বয়সী জনগণের মোট জিডিপি বার্ষিক ০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং শ্রম উৎপাদনশীলতা ১ দশমিক ১ শতাংশ বাড়াতে সহায়তা করেছে। তবে ২০৫০ সালের মধ্যে এই অবদান ০ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসবে।বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট উল্লেখ করেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিগুলো দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৪ শতাংশ স্নাতক অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, তরুণ জনগণের শিক্ষিত ও দক্ষ হয়ে ওঠা জরুরি।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪.১৭ শতাংশে নেমেছে।
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন পর্যায়ে

সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪.১৭ শতাংশে নেমেছে। এটি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়।গত জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধির সর্বনিম্ন রেকর্ড ছিল ৪.৪৭ শতাংশ। ঋণ প্রবৃদ্ধি গত মার্চে ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল।২০২৩-২৪ অর্থবছরে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৯.৮৪ শতাংশে নেমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এটি ৬.৪৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভোটাররা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তিত।মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার কারণে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েছে। যদিও বেকারত্বের হার ঐতিহাসিকভাবে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং কর্মসংস্থানের আওতায় বেশি মানুষ রয়েছেন, তবুও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক।বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ, যদিও কয়েক বছর আগের তুলনায় কম। আজ মঙ্গলবারের নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে প্রার্থী নন।ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে। সর্বশেষ জরিপে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছে এবং তারা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির নেতারা শেষ মুহূর্তের প্রচারে অংশ নিয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কের চিত্র।
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব কানাডায়

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন কানাডার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।কানাডার ৭৩ শতাংশ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পক্ষে।২০ অক্টোবর প্রকাশিত কানাডার সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মার্কিন শুল্কের গড় হার ৫.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭.৭ শতাংশ হয়েছে।বিশ্লেষণে আরও জানানো হয়েছে, যদি মার্কিন বাণিজ্যিক পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদী হয়, তবে কানাডার প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১.৪ শতাংশ কমতে পারে।এছাড়া, কর্মসংস্থান প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার কমতে পারে যদি মার্কিন বাণিজ্যিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকে।শুল্ক বিরোধের প্রভাব কানাডার গাড়ি, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, কৃষি ও জ্বালানি খাতে পড়তে পারে।ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্যনীতির ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়তে পারে। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন হলে শুল্ক প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা নেই।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে ক্ষতির তথ্য প্রকাশ।
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে ক্ষতির তথ্য প্রকাশ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে ক্ষতি বাড়ছে। ‘ল্যানসেট কাউন্টডাউন ২০২৬: স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদনটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তীব্র গরমের কারণে বাংলাদেশে আয়ক্ষতি ১ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২ লাখ ১৭ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা।১৯৮৬ ও ২০০৫ সালের তুলনায় শিশুদের মধ্যে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি ১৬২ শতাংশ বেড়েছে। প্রবীণদের মধ্যে এই ঝুঁকি ১৩৬ শতাংশ বেড়েছে।২০২৩ সালে মানবসৃষ্ট সূক্ষ্ম কণাদূষণের কারণে আনুমানিক ২ লাখ ৩৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবেদনটি ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতির সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।গতকাল রোববার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সি৩ইআর) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।শৌর্য দাশগুপ্ত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গরমের কারণে প্রতিবছর গড়ে ২৬ বিলিয়ন শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দর পতনের চিত্র।
শেয়ারবাজারে দর পতনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত

শেয়ারবাজারে দর পতনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ ৩৪ শতাংশ শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৫২.৫ শতাংশ শেয়ারের দাম কমেছে।ডিএসইএক্স সূচক ৩২ পয়েন্ট কমে ৫৩৮৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এই দর পতনের ধারাটি ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। গত ১৩ সপ্তাহের মধ্যে ১২ সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে দর পতন ঘটেছে।গতকাল সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৪৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন এবং ৪৪২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ১৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন এবং প্রায় ২২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন।ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠানগুলো ৫.৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে এবং ৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। বিদেশিরা ১৪ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছে এবং প্রায় ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।বীমা এবং মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড খাত ছাড়া সব খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। পাট খাত সর্বাধিক ৪.৫ শতাংশ দাম হারিয়েছে। খাদ্য খাতের ৪ কোম্পানির দাম বেড়েছে এবং ১৫টির দাম কমেছে। সিমেন্ট এবং সেবা ও নির্মাণ খাতের ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টির দাম কমেছে। ব্যাংক খাতের ৩১ কোম্পানির মধ্যে ১৪টির দাম কমেছে এবং ৫টির দাম বেড়েছে। এই দর পতনে সূচকে ২৫ পয়েন্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতীকী চিত্র।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর শুরু

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে জাপানে দ্বিপাক্ষিক সফরে রয়েছেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাথে বৈঠক করবেন।সফরের শেষে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে জাপানের প্রায় সাড়ে ছয় বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা আসতে পারে। বাংলাদেশের দিক থেকে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি ও সমঝোতার আশা করা হচ্ছে।জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফরটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। সফরটি 'মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় (এফওআইপি)' উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আশা প্রকাশ করেছে।জাপান গত পাঁচ বছরে অন্তত চারবার ঋণের সুদের হার বাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সফরের সময় জাপান বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগ মহাপরিকল্পনা করছে।বাংলাদেশের বার্ষিক রপ্তানি জাপানে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য। অন্যদিকে, জাপান থেকে আমদানির পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিকে জাপানের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) সই করা হয়েছিল। চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বর্তমানে জাপানের ৩৩৮টি কোম্পানি বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে।

Desk Reporter অক্টোবর ২৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ সরকারের নতুন পে-স্কেল এবং বাড়তি বেতনের চিত্র।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে

বাংলাদেশ সরকার পহেলা নভেম্বর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বাড়তি বেতন প্রদান শুরু করবে।সরকার বাড়তি বেতন দেওয়ার জন্য ঋণ নিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বেসরকারি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সরকার ১৪ দিন মেয়াদী বিশেষ ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। চলতি মাসে ট্রেজারি বিল বন্ডের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। সরকারের বাজেটে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জুনে বাজেট বক্তৃতায় নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা হবে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের ঋণ নির্ভরতা বাড়ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের কারণে সরকারের ব্যয় বেড়েছে।

Desk Reporter অক্টোবর ২৯, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0