মৃত্যু

ভৈরবে বিদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে সায়দুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে।
ভৈরবে বিদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে ৬৫ বছরের ব্যক্তির মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমিতে ইঁদুর মেরার জন্য বিদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে ৬৫ বছরের সায়দুর রহমান মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার সকালে শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ভূঁইয়া বাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।সায়দুর রহমান শিমুলকান্দি ইউনিয়নের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের স্বামী। তিনি মফিজুল ইসলামের ছেলে এবং তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।জানা গেছে, সায়দুর রহমান জমিতে ইঁদুর উপদ্রব সহ্য করতে না পেরে নিজেই বিদ্যুতিক ফাঁদ গুঢ়িয়েছিলেন। সকালে সেই ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি আহত হন।পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি কিছুক্ষণ পরে বুঝতে পারেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, সায়দুর রহমান ভোরে জমিতে গিয়ে ইঁদুর মারার জন্য ফাঁদ গুঢ়িয়েছিলেন।ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে আইনগত প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পিক্সারের 'কোকো' চলচ্চিত্রের থিম মৃত্যু ও স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত।
পিক্সারের 'কোকো' চলচ্চিত্র ও অল সোলস ডে উৎসবের থিম

আজ ২ নভেম্বর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অল সোলস ডে হিসেবে পালিত হচ্ছে। এই দিনটি মৃতদের স্মরণে উৎসর্গীকৃত।পিক্সারের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'কোকো' ২০১৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল। ছবির মূল চরিত্র মিগেল, মেক্সিকোর ১২ বছর বয়সী একটি কিশোর। মিগেল সংগীতকে গভীরভাবে ভালোবাসে, কিন্তু তার পারিবারিক ইতিহাসের কারণে বাড়িতে সংগীত নিষিদ্ধ।মিগেল মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী 'ডে অব দ্য ডেড' উৎসবের রাতে মৃত পূর্বপুরুষদের জগতে প্রবেশ করে। উৎসবের সময় পরিবারের সদস্যরা মৃত স্বজনের ছবি, গাঁদা ফুল, মোমবাতি এবং তাদের প্রিয় খাবার সাজিয়ে স্মরণ করেন।অল সোলস ডে এবং ডে অব দ্য ডেড-এর সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ই প্রিয়জনের স্মরণের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। ছবিতে 'শেষ মৃত্যু' ধারণা উপস্থাপিত হয়েছে, যেখানে কেউ তখনই চিরতরে হারায় যখন জীবিতরা তাকে মনে রাখে না।'রিমেম্বার মি' গানটি ২০১৮ সালে সেরা মৌলিক গানের জন্য অস্কার পুরস্কার জিতেছে এবং এই ছবিটি সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার চলচ্চিত্রের অস্কারও অর্জন করেছে। বিশ্বব্যাপী ছবির আয় ৮০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। ছবিটি রং, সংগীত ও কল্পনার মাধ্যমে শিশুদের কাছে মৃত্যু, বিচ্ছেদ ও স্মৃতির মতো কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
কল্যাণপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
কল্যাণপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু

২০২৬ সালের ৪ নভেম্বর, সকাল ৭টা ৩৮ মিনিটে কল্যাণপুরে, দিয়াবাড়ী মিরপুর বেড়িবাঁধে একটি যাত্রীবাহী বাস এবং সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।এই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ এবং দুজন নারী রয়েছে।ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে ৭টা ৩৮ মিনিটে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মরদেহ শাহ আলী থানার উপপরিদর্শক আরিফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।ঘটনার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবেদন সম্পর্কিত তথ্যের চিত্র।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবেদন: অক্টোবর ২০২৬

অক্টোবর ২০২৬ সালে বাংলাদেশে অন্তত ৭০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ১২ জনের মৃত্যু এবং ৩৩৪ জন আহত হয়েছে।বিএনপির মধ্যে ৩৫টি অভ্যন্তরীণ ঘটনার ফলে ৯ জনের মৃত্যু এবং ১৮৫ জন আহত হয়েছে। এছাড়াও, ৩৩টি গণপিটুনির ঘটনায় ২২ জনের মৃত্যু এবং ২০ জন আহত হয়েছে।এছাড়া, নির্বাচন সংক্রান্ত সহিংসতার ৬টি ঘটনা ৩৫ জনকে আহত করেছে এবং ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।সেপ্টেম্বর মাসে ৬৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছে।এই সময়ে, ২৫,১৬৫ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৮৪ জন আওয়ামী লীগ, ৮১ জন বিএনপি, ২৭ জন জামায়াত-ই-ইসলামি এবং ১৮ জন উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য রয়েছেন।নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে, এবং ১৯ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছে।প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকদের উপর ২৮টি নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যার ফলে ৪৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত এক শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত এক শ্রমিকের মৃত্যু

গাজীপুরে উচ্চ বেতনের দাবিতে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে আহত হয়ে তৌফিক শেখ নামের এক ২১ বছর বয়সী শ্রমিক মারা গেছেন।তৌফিক, যিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের সিকঝোরিয়া গ্রামের বাসিন্দা, গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় লায়লা গার্মেন্টসে কাজ করতেন।তৌফিক পাঁচ বছর ধরে বাংলাবাজারের বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত ছিলেন। সোমবার, নোমান গ্রুপের টেরিটর গার্মেন্টসের সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করার চেষ্টা করেন।এসময়, কিছু হামলাকারী তৌফিককে আক্রমণ করে গুরুতর আহত করে। তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বাইরের লোকজনের চাপের কারণে একটি কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হওয়ায় শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষ ঘটে।তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কারাবন্দির মৃত্যু

একটি কারাবন্দি, জাকির হোসেন (৫০ বছর), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার সময় মারা গেছেন। তিনি আজ মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।জানা গেছে, বিকেল ৪টায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৫:৪৫টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারারক্ষী আতিয়ার শেখ জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।জাকির হোসেন কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন। তাঁর বাসা রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায়। কারারক্ষী জানিয়েছেন, তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন তা জানতে পারেননি।ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।গত দুই মাসে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্তত ২৬ কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। অক্টোবরে ১০ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে ১৬ জন কারাবন্দি মারা গেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সিরাজগঞ্জে নাটকীয় গাড়ির আঘাতে দুই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে নাটকীয় গাড়ির আঘাতে দুই বৃদ্ধের মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের সিরাজদীহ এলাকায় শনিবার সকালে একটি বালু ভাটির নাটকীয় গাড়ির আঘাতে দুই বৃদ্ধ মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল প্রায় ৬ টায় গয়াতলা দক্ষিণপাড়া ডটলা মসজিদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন হলেন ৬৫ বছর বয়সী Nekbar Ali Sarkar এবং ৭৫ বছর বয়সী Mo. Kaykum Dewan।এছাড়া, ৭০ বছর বয়সী Hashem Bepari নামের একজন আহত হয়েছেন। তিনি জানান, শুক্রবারের নামাজ শেষে তারা মসজিদের সামনে হাঁটছিলেন, তখন নাটকীয় গাড়িটি তাদের উপর উঠে যায়।পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, Nekbar Ali Sarkar এবং Kaykum Dewan মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।পুলিশের ইনচার্জ Mo. Alauddin জানিয়েছেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িটি জব্দ করেছে। তবে গাড়ির চালক পালিয়ে গেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
মো. আনিসুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
তাইওয়ানে মো. আনিসুর রহমানের মৃত্যু

মো. আনিসুর রহমান নামের একজন ব্যক্তি তাইওয়ানে মারা গেছেন। তাঁর বয়স ছিল ৫২ বছর। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের আবুল বাসার মুন্সীর ছেলে।আনিসুর রহমান ২২ জুন ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে তাইওয়ান যান। মৃত্যুর সময় তিনি নিউ তাইপেই সিটির ফু জেন ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ৩১ অক্টোবর দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু ঘটে।মৃত্যুর সময় তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আনিসুরের দুই সন্তান রয়েছে, মেয়ে জুম্মী রহমান এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে এবং ছেলে জারিফ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।শিলা আক্তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আনিসুরের বন্ধু ইয়াং জিয়ান-কাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁর মৃত্যু ও মরদেহ সংরক্ষণের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ঢাকায় গ্যাস লিকের কারণে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা।
ঢাকায় গ্যাস লিক থেকে দগ্ধ হয়ে ফিলিপাইনের নারীর মৃত্যু

ঢাকায় গ্যাস লিক থেকে দগ্ধ হয়ে ফিলিপাইনের ৩২ বছর বয়সী কেস্টিন ভার বুনাগ মারা গেছেন। জানা গেছে, তিনি ৩ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে সকাল ৩:২০ টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।ডাক্তার সুলতান মাহমুদ শিকদার জানিয়েছেন, তার শরীরের ৬৩% দগ্ধ ছিল। এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালে, যখন তিনি রান্না করার সময় গ্যাস স্টোভে লিকেজের কারণে আগুন লেগে যায়।কেস্টিন ভার বুনাগ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসেন। তিনি দুই মাসের জন্য একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেন, যেখানে একজন জাপানি নাগরিকও ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার সময় ওই জাপানি নাগরিক অ্যাপার্টমেন্টে উপস্থিত ছিলেন না।প্রাথমিকভাবে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু ও হাম সংক্রান্ত স্বাস্থ্য উদ্বেগের প্রতীকী চিত্র।
ডেঙ্গু ও হামের কারণে ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে ৬ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ জন মারা গেছেন।ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে ৩ জন ঢাকা থেকে, ২ জন ময়মনসিংহ থেকে এবং ১ জন সিলেট থেকে। বর্তমানে ৬,০১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে ৪৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং মোট ১,৩৮,৮৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছর তিন লাখ ২১ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের নিশ্চিত সংক্রমণসহ মোট ১,৪৯২ জনের মধ্যে উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে মোট ১,২৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
শিমুলকান্দিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে।
শিমুলকান্দিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য সায়দুর রহমান জজ মিয়া (৬৫) বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে মারা গেছেন।এটি সোমবার সকাল ৭টার দিকে ভূঁইয়া বাড়ি এলাকায় ঘটে। সায়দুর রহমান জমিতে ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছিলেন।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি অসাবধানতাবশত নিজের তৈরি ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা পরে বিষয়টি জানতে পারেন।তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় তিনি একা ছিলেন এবং অন্য কেউ হতাহত হননি।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্ত চলছে।
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুর তদন্তে দুই গ্রেপ্তার

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্তে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তাহসিফের ব্যবসায়িক অংশীদার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ এবং এক তরুণী রয়েছেন।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে দীপ ও তরুণীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। ২৭ অক্টোবর তাহসিফ ও দীপ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন এবং পরের দিন ২৮ অক্টোবর তুরাগ নদী থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করা হয়।তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের আবেদনের পর ২৭ অক্টোবর হত্যা মামলা করা হয়। ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।গ্রেপ্তার তরুণী ১৯ বছর বয়সী। তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়, যা আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তরুণীর জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। দীপের বক্তব্য নিয়ে তাহসিফের বাবা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।তদন্তকারীরা দীপের এবং তরুণীর বক্তব্য যাচাই করছেন। তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্টে তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার তথ্য পাওয়া গেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0