রাজনীতি

সিলেটে বিএনপির প্রেস সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের একটি চিত্র।
সিলেটে বিএনপির প্রেস সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য

সোমবার দুপুর ২:৩০ টায় সিলেটের দারঘা গেট এলাকার একটি হোটেলে বিএনপির জেলা শাখার উদ্যোগে এক প্রেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন যে, দেশের সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পিছনে পরাজিত রাজনৈতিক শক্তিগুলি রয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং তাদেরকে রাস্তায় নামানো হচ্ছে, যা ওই পরাজিত শক্তির উসকানিতে ঘটছে।তিনি উল্লেখ করেন যে, রবিবার প্রতিবাদস্থলে ১১ জন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মী আটক হয়েছেন। আটককৃতদের একজন ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে উসকানির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।রিজভী জামায়াতের আমিরের মন্তব্যের সমালোচনা করেন, যেখানে বলা হয়েছে “আরেকটি বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে”, এবং তিনি সরকারের আট মাসের ক্ষমতার মেয়াদের কথা উল্লেখ করেন।তিনি সরকারের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ব্যবসার সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং জানান, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছেন।রুহুল কবির রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে বলেন, স্থানীয় নেতারা উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করবেন এবং নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা হওয়ার পর এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
এক সাংবাদিকের ৫৬ বছরের সাংবাদিকতার ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা।
এক সাংবাদিকের ৫৬ বছরের সাংবাদিকতা ও রাজনীতির অভিজ্ঞতা

এক সাংবাদিক তার ৫৬ বছরের সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে সাপ্তাহিক একতায় সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং সেখানে ২১ বছর সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।সাংবাদিকতার শুরুতে তিনি ১৯৫৪ সাল থেকে দৈনিক সংবাদ পড়তেন এবং ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে এর সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তিনি ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়ুব বিরোধী ছাত্র ধর্মসন্ত্রাসে অংশগ্রহণ করেন।তিনি ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভোরের কাগজের সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন এবং সেখানে ৬ বছরের বেশি সময় কাজ করেন। ১৯৯৮ সালের ৪ নভেম্বর প্রথম আলো প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি সেখানে ২৮ বছর কাজ করেন।প্রথম আলো পেশাদার সাংবাদিকতা, সৃজনশীলতা, নিরপেক্ষতা এবং মানবাধিকার, বিশেষ করে নারীদের, শিশুদের এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার সমর্থনের জন্য পরিচিত।সাংবাদিকটি জানান, প্রথম আলো সরকারী বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছে, যার মধ্যে বিজ্ঞাপন নিষেধাজ্ঞা, মামলা, সাংবাদিকদের আটক এবং আগুনে হামলার মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম আলো সামাজিক কারণে যেমন এসিড সহিংসতা ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার প্রতিরোধে কাজ করছে এবং আটটি আলোর পাঠশালা ও বৃত্তি তহবিল পরিচালনা করছে।সাংবাদিকটি ৮০ বছরের বেশি বয়সী এবং তার ক্যারিয়ার ও প্রথম আলোর ভূমিকা নিয়ে প্রতিফলন করেছেন। তিনি অতীতের কিছু ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সত্যিকার সাংবাদিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
নয়াদিল্লির রামলিলা ময়দানে রাজনৈতিক সমাবেশের দৃশ্য।
নয়াদিল্লিতে INDIA ব্লকের রাজনৈতিক সমাবেশে বিতর্কিত জনসমাগম

রবিবার নয়াদিল্লির রামলিলা ময়দানে INDIA ব্লকের একটি রাজনৈতিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে জনসমাগম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।বিজেপির মুখপাত্র সাম্বিত পাত্র অভিযোগ করেছেন যে, সমাবেশে উপস্থিতি মাত্র ২৮,০০০ জন ছিল, যা কংগ্রেসের ঘোষিত এক লাখের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। তিনি একটি ভিডিও উপস্থাপন করেছেন যেখানে খালি চেয়ার দেখা যাচ্ছে।কংগ্রেস নেতারা সামাজিক মাধ্যমে একটি বড় সমাবেশের ছবি শেয়ার করেছেন, যা কিরেন রিজিজু 'এআই দ্বারা তৈরি' বলে সমালোচনা করেছেন।সমাবেশের সময়, রাহুল গান্ধী একটি ড্রোন-ধরা ভিডিও আপলোড করেছেন, যেখানে বিশাল জনসমাগম দেখা যাচ্ছে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।সমাবেশটি সন্ধ্যা ৪:৩০ টায় শেষ হয় এবং পুলিশ স্থানটি ৫:০০ টার মধ্যে খালি করতে বলেছে।সমাবেশে আদিবাসী অংশগ্রহণকারীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে এবং বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে অংশগ্রহণ করেন।কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন রাজ্যে একই ধরনের সমাবেশের পরিকল্পনা করছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও তরুণ সমাজের সংঘাতের চিত্র।
বাংলাদেশের সংবিধান ও তরুণ সমাজের রাজনীতিতে সংঘাতের বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালে প্রণীত হয় এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের ফলাফল। তবে, সংবিধান কার্যপ্রক্রিয়ার দিক থেকে জনগণকে ক্ষমতাহীন করে এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে।গণপরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ১৯৭২ সালের সংবিধানকে পাকিস্তানের ১৯৬২ সালের সংবিধানের মতো প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রচিত বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা বলেন, সংবিধানে এক হাতে অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং অন্য হাতে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে কয়েকবার বিস্ফোরণ ঘটে এবং ২০২৩ সালের গণ-অভ্যুত্থান ঘটে। তরুণরা বহু বছর ধরে রাষ্ট্রকে প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখে এবং পুলিশ, রাজনীতিবিদ, আমলা ও জ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত।বাংলাদেশে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি গুলিবর্ষণ ও নিপীড়ন করে। এই পরিস্থিতিতে রাজনীতির প্রক্রিয়া মানুষের নালিশ শুনতে ব্যর্থ হলে বিস্ফোরণ ঘটে।সংবিধান সংস্কার কমিশন ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, শক্তিশালী স্থানীয় সরকার, মৌলিক অধিকারের সম্প্রসারণ ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের সুপারিশ করেছে। তবে, সংস্কার না হলে তরুণদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সংঘাত বৃদ্ধি পাবে এবং দঙ্গলবাজির নিপীড়ক সংস্কৃতি শক্তিশালী হতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে আইন ও রাজনীতির সম্পর্কের একটি বিমূর্ত চিত্র।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগ ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ

আইনের ইতিহাসবিষয়ক গবেষক রাশেদ রাহম বাংলাদেশে বিচার বিভাগ ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি জানান, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায় আদালত রেজিমের বৈধতা প্রদানের প্রধান উপযোগী হয়।রাজনীতির বিচারিকীকরণের ফলে ‘রাজনৈতিক আদালত’ উদ্ভূত হয় এবং রাজনৈতিক পরিসর বিভাজিত হয়। বিচারব্যবস্থার রাজনীতিকরণের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতা ও সংস্কার সংক্রান্ত প্রশ্ন আদালতের মাধ্যমে সমাধান করে।বাংলাদেশে বিচার বিভাগের ‘কৌশলগত দলবদল’ হলো সংবিধান সংশোধনীতে হস্তক্ষেপ না করা, এড়িয়ে যাওয়া বা বৈধতা দেওয়া। তুলনামূলক গবেষণায় দেখা গেছে বিচারকরা রাজনৈতিক পরিবেশের সাথে খাপ খায় এবং ক্ষমতাসীনদের পতনের অপেক্ষায় থাকেন।বাংলাদেশে সংবিধান মোট ১৭ বার সংশোধন হয়েছে এবং উচ্চ আদালত ৬ বার সংশোধনী বাতিল করেছে। প্রতিটি বাতিলকৃত সংশোধনী চলমান রেজিমের পতনের সময় বা পরবর্তী ভিন্ন রেজিমে বাতিল হয়েছে।১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের মৌল কাঠামো পরিবর্তন করা হয়। এই সংশোধনী দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতের পর্যবেক্ষণে আসে। ১৯৮১ সালে হাইকোর্ট স্বীকার করে চতুর্থ সংশোধনী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করেছে।সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য আদালত আইনবিজ্ঞানের ‘পরিচিত ধারণা’ ব্যবহার করে রক্ষণশীলতা রক্ষা করে। বিচারপতি মুনীম এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দেন এবং সপ্তম সংশোধনী জারি হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ।
সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ সাবেক মন্ত্রী, অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে।সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যু ২০১৯ সালের এই দিনে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে হয়েছিল। তিনি ১৯৫২ সালের ১২ মে পুরান ঢাকার গোপীবাগে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন এবং ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ও ফরাশগঞ্জ ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০-এর দশকে মওলানা ভাসানীর অনুসারী বামপন্থি রাজনীতি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন।তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর সভাপতি, নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে সবশেষে ভাইস চেয়ারম্যান হন।১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন।২০১৪ সালের ১৪ মে চিকিৎসার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় দেশে তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা দায়র হয় এবং কয়েকটিতে সাজা পান।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
মেজর আখতারুজ্জামানের কারামুক্তি উপলক্ষে সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়েছে।
জামায়াতের ব্রিফিংয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও কারামুক্তি উদযাপন

রাজধানীর মিন্টো রোডে মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান একটি রাজনৈতিক ব্রিফিংয়ে অংশ নেন। তিনি সরকারের ব্যর্থতা ও অদক্ষতা আড়ালে বিরোধীদলকে লক্ষ্য করে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করেছেন।শফিকুর রহমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিরোধীদলের চরিত্রহনন বন্ধ করে নিজেদের ব্যর্থতা দূর করার চেষ্টা করুন। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কমলে তারা সরকারকে সমর্থন করবে।মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তি উপলক্ষে জামায়াত একটি সংবর্ধনা আয়োজন করে। আখতারুজ্জামান এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করার পর গত সোমবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পান এবং গতকাল সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।আখতারুজ্জামান বলেন, রিমান্ডের সময় তার থেকে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, যা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ডিবির একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য জানার অধিকার আছে কি না।গত ১ অক্টোবর ওমরাহ শেষে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে বিলম্বের কারণে জামায়াতের ৩৪ জন সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে আখতারুজ্জামানের কর্মকর্তাদের মধ্যে উচ্চবাচ্য হয়।বিরোধীদলীয় নেতা সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, অতীতের মতো স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমিয়ে ফেলা বাংলাদেশে আর সম্ভব নয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
জামায়াত-ই-ইসলামির নারী অংশগ্রহণ নিয়ে টিআইবির সমালোচনা।
জামায়াতের নারী অংশগ্রহণ নিয়ে টিআইবির সমালোচনা

টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) জামায়াত-ই-ইসলামির নারী অংশগ্রহণের দাবি সমালোচনা করেছে। সংস্থাটি বলেছে, এই দাবি সত্য লুকানোর চেষ্টা।আরপিও (রিপ্রেজেন্টেশন অব পিপলস অর্ডিন্যান্স) অনুযায়ী, প্রতিটি দলের প্রতিটি কমিটিতে নারী সদস্যের জন্য ৩৩ শতাংশের লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। এই লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে পূরণ করতে হবে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ১৯ সদস্যের মধ্যে এখনো কোনো নারী সদস্য নেই। জামায়াতে প্রতিটি স্তরে পুরুষদের জন্য একটি কমিটি এবং নারী কর্মীদের জন্য আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে নারীদের জন্য আলাদা রাখা হয়নি।ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-ই-ইসলামি থেকে কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন করা হয়নি। টিআইবি মনে করে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গবেষণার সত্য অস্বীকার করে এবং দলের মূল রাজনৈতিক রূপটিকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী'র সাংগঠনিক বিধিতে ২০৩০ সালের মধ্যে কমিটিতে অন্তত ৩৩% নারী সদস্যপদ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।তবে, ২০২৩-২০২৫ সময়কালে টিআইবির ডেটা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে ১৯ সদস্যের মধ্যে কোনো নারী সদস্য নেই।গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় কাজপরিষদে ২১ নারী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে ১২২ নারী সদস্য রয়েছেন। দলটির সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৪৩% নারী রয়েছে।তবে, জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন করেনি, বিশেষ করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে।গবেষণাটি আরও জানায়, জামায়াতে ইসলামীতে নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় পরিষদে নারীদের উপস্থিতি নেই।টিআইবি'র সেক্রেটারি জেনারেল জামায়াতে ইসলামী'র বিবৃতিকে ভুল ও ভিন্নমূলক বলে দাবি করেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
নয়াদিল্লিতে বিরোধী দলের সমাবেশের দৃশ্য।
নয়াদিল্লিতে বিরোধী দলের সমাবেশ, নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

বিরোধী দলের জোট 'ইন্ডিয়া' রোববার রাজধানী নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে একটি মহাসমাবেশ আয়োজন করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশের জন্য বিরোধী নেতারা সকাল ১০টায় কনট প্লেসের মিন্টো রোড জংশনে জমা হয়ে খোলা জিপে রামলীলা ময়দানের দিকে যাত্রা শুরু করেন। নেতাদের পৌঁছানোর আগেই হাজার হাজার আন্দোলনকারী ময়দানে জমা হয়ে পুরো এলাকা ও বাইরের রাজপথ মানবসমূহে পূর্ণ হয়ে যায়।সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী যাদব।বিরোধীদের প্রধান দাবি ছিল বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করা এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত সংশোধনী আইন প্রত্যাহার করা। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন যে বিভিন্ন নির্বাচনে ইভিএম ও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে ভোট চুরি করা হয়েছে।তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমার স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন না করে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছেন। মল্লিকার্জুন খাড়গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কারিগরি কারচুপি ও বিপুল ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিমবঙ্গ হয়েছে এবং রাজ্যে এক কোটির বেশি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।বিরোধী দলগুলোর মতে, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, ভুলবশত যাদের নাম বাদ পড়েছে তারা পুনরায় নিবন্ধন করতে পারবেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভের চিত্র।
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সমর্থন

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে সিপিবির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাদেকুর রহমান শামীম সমাবেশটি পরিচালনা করেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, কন্ট্রোল কমিশন চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মন্টু ঘোষ। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি যুক্তিসঙ্গত।তিনি অভিযোগ করেন, সরকার শ্রমিকদের দাবি উপেক্ষা করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন দমন করছে। ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক নুর আহমেদ বকুল সরকারের প্রতি শ্রমিকদের দাবি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি এক বিবৃতিতে একই দাবি জানিয়ে বলেছে, সরকার আন্দোলন দমন ও রাজনৈতিক তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পুলিশ ও বিজিবির হামলার নিন্দা জানিয়েছে।সাইফুল হক বলেন, অনির্দিষ্টকাল কারখানা বন্ধ রাখা সংকটের সমাধান নয়। বরং সরকার ও মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুলসহ অন্যান্য নেতারা পুলিশি হামলা বন্ধ, মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
মহাদেবপুরে বিএনপির সভাপতি রবিউল আলমের অভিযোগের প্রতীকী চিত্র।
মহাদেবপুরে বিএনপির সভাপতি রবিউল আলমের অভিযোগ

মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম ফজলে হুদার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। রবিউল আলম সোমবার সন্ধ্যায় মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে একটি সভায় এই অভিযোগ করেন।তিনি দাবি করেছেন যে এমপি তিন কোটি টাকার ওপরে নিয়েছেন এবং এর প্রমাণ তিনি দেবেন। রবিউল আলম বলেছেন যে তিনি মহাদেবপুর-বদলগাছীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ দুর্নীতিবাজ এমপির বিরুদ্ধে লড়াই করবেন।রবিউল আলম ঘোষণা করেছেন যে তিনি এমপির আর্থিক হিসাব এবং ব্যাংক ড্রাফট নম্বর তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করবেন। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।ফজলে হুদা, বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বলেছেন যে রাজনীতি করলে মানুষ রাজনৈতিক কথা বলবে এবং বিএনপি সবকিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছে। রবিউল আলম আগামী ৭ নভেম্বরের প্রোগ্রামের পর বিএনপির অফিসের সাইনবোর্ড সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচির একটি চিত্র
বিজেপির 'গণতন্ত্র বাঁচাও' কর্মসূচিতে অমিত শাহ ও নেতারা

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশজুড়ে 'গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও' স্লোগান নিয়ে প্রতিবাদ ও কর্মসূচি করেছে।সোমবার হায়দরাবাদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পৌঁছান এবং সেখানে পাঁচ কিলোমিটার রোড শো করেন। তিনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবং রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন।অমিত শাহ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করেন।কলকাতায় বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীন, শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য পদযাত্রা শুরু করেন। পদযাত্রাটি চার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ধর্মতলায় শেষ হয়।হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিজেপির কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন এবং রাহুল গান্ধীকে পাশের দেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের নেতা আসাদ মল্লা আটক হয়েছেন।
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের নেতা আটক

গুথিয়া মডেল ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদ মল্লা, যিনি ৩০ বছর বয়সী, সোমবার সকালে পুলিশ দ্বারা আটক হন।আসাদ মল্লা, মৃত মজাহার মল্লার ছেলে, ৩১ অক্টোবর ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন যে আওয়ামী লীগ ঢাকা শহরকে প্রকাশ্যে দখল করবে।রবিবার রাতে গুথিয়া বন্দর এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা ও কর্মীরা তাকে আটক করেন। পুলিশকে তার আটক করার বিষয়ে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।আসাদ মল্লাকে আটক করার পর সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়। তাকে পূর্বে একটি মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
মির্জা ফয়সাল আমিন ও এলিজা জামান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।
মির্জা ফয়সাল আমিন ও এলিজা জামান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন

মির্জা ফয়সাল আমিন মঙ্গলবার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন। একই দিনে এলিজা জামানও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি দুপুর ১২ টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।রাশেদ মিজান, সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক, একটি নোটিশে এই তথ্য জানিয়েছেন।মির্জা ফয়সাল আমিন ২৯ অক্টোবর, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২,২৭,৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।এলিজা জামান নারী সংরক্ষিত আসন (আসন নং ৩২৩) থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের বিষয়ে একটি নোটিফিকেশন জারি করে।নারী সংরক্ষিত আসনটি ১ অক্টোবর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর শূন্য হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
ইরানি প্রতিনিধিরা কাতার থেকে চলে গেছেন।
ইরানি প্রতিনিধিরা কাতার ত্যাগ করেছেন, আলোচনা চলছে

ইরানি প্রতিনিধিরা গত রোববার কাতার ছেড়েছেন। তবে তাদের departure এর কারণ আলোচনা ভেঙে যাওয়া নয়, এমনটি জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।মুখপাত্রের মতে, আলোচনা সাত দফার একটি পরিকল্পনার ভিত্তিতে চলছে। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের অবসান ঘটানো।ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি দোহায় অবস্থান করছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রাথমিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।এদিকে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
মাহ্দী আমিন শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে মাহ্দী আমিনের বক্তব্য

আজ সোমবার দুপুরে মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা, শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হবে না বলে জানিয়েছেন।তিনি সহিংসতা, ভাঙচুর ও নাশকতায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার কথা জানান। শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভ্রান্তি, গুজব বা উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না।মাহ্দী আমিন জানান, শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিকদের যৌক্তিক ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় পাশে থাকবে। তিনি বলেন, শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সংগত, যৌক্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে কাজ করা হবে।তিনি উল্লেখ করেন, একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।মাহ্দী আমিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানোর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। তিনি জানান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের প্রতীকী চিত্র।
বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক: ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও উন্নয়ন সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং ১১ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের এপ্রিল এবং ১৯৮০ সালের ৮ জুলাই জাপান সফর করেন। বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ ও ২০০৫ সালে জাপান সফর করেন। ২০০৫ সালে খালেদা জিয়া ঢাকার যানজট নিরসনে আধুনিক গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে সহযোগিতা চান।২০০৫ সালে টোকিওতে বাংলাদেশের শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি ২০২৬ সালের ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন এবং ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবেন। জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন।জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো হলো 'বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট'। জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা উঠে এসেছে।এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য দিয়া মির্জার ভিডিও বার্তা।
বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশে দিয়া মির্জার ভিডিও বার্তা সরানো হলো

বম্বে হাইকোর্ট বৃহন্মুম্বাই পৌরসভাকে নির্দেশ দিয়েছে বায়ুদূষণ রোধে উদ্যোগী হতে।এই নির্দেশনার পর পৌরসভা দিয়া মির্জাকে ভিডিও বার্তা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল। দিয়া মির্জা বিনা পারিশ্রমিকে ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি বায়ুদূষণকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।তবে বিজেপি এবং শিবসেনার আপত্তির কারণে দিয়া মির্জার ভিডিও বার্তা পৌরসভার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পৌরসভা জানিয়েছে, জনরোষের কারণে ভিডিওটি সরানো হয়েছে।বিজেপির মুম্বাই শাখার সভাপতি অমিত সাটম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিয়া মির্জার ভিডিও বার্তা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বিহারে গঙ্গা জল চুক্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
বিহারে গঙ্গা জল চুক্তির গুরুত্ব নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

পাটনায় 'গঙ্গা জল চুক্তি: বিহারের জল নিরাপত্তা' শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সাম্রাট চৌধুরী গঙ্গা জল বিতরণ চুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিহারের জন্য পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন, যা পানীয়, সেচ এবং শিল্পের জন্য অপরিহার্য।বিহার গঙ্গা জল পায় উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের মাধ্যমে। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে গঙ্গা জল বিতরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে বিহারের রাজনৈতিক জোট গঙ্গা জল বিতরণ চুক্তির নবায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।বিহারের প্রাক্তন জল সম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা ফারাক্কা ব্যারেজ ভেঙে ফেলার পক্ষে ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি রাজ্যসভার মনোনীত সদস্য এবং ফারাক্কা ব্যারেজ নিয়ে তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন।বহিঃমন্ত্রীর এস. জয়শঙ্কর বিহারের গঙ্গা চুক্তি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। বিহার সরকার গঙ্গা নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত 'নিতীশ সংলাপ' নামে একটি প্রচারণা শুরু করেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0