শ্রমিক আন্দোলন

পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার চিত্র।
শফিকুর রহমানের আহ্বান: পোশাকশিল্পের অস্থিরতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিক সরকার

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান পোশাকশিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্র রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সোমবারের একটি ফেসবুক পোস্টে এই মতামত প্রকাশ করেন।শফিকুর রহমান মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পোশাকশিল্পে বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে।তিনি বলেন, কোনো মালিক বা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। শফিকুর রহমান মনে করেন, এই ধরনের ঘটনায় শ্রমিকরা জড়িত নন।তিনি অভিমত দিয়েছেন যে, ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্প ধ্বংসের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।শীত মৌসুমের আগে পোশাকশিল্পের সম্ভাবনা নষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি মালিক-শ্রমিকসহ সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সোমবার বেলা তিনটায় পোশাকশিল্পের অস্থিরতা ও শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন।বৈঠকে তিনি জানান, পোশাকশিল্প মালিকদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত এবং তারা অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।মন্ত্রী মালিকদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, কিছু মালিকের কারখানা বন্ধ করার তালিকা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া অস্থিরতা সৃষ্টিতে জড়িত শ্রমিকনেতা ও সংগঠনগুলোর নামের তালিকাও চাওয়া হয়েছে।তিনি জানান, পোশাকশিল্প পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পুলিশের সদর দপ্তরে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়া বা সাময়িক বন্ধ থাকা কাম্য নয়। শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মন্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছু পক্ষ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ ও আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে।এছাড়া, সরকার ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং বোর্ডের প্রথম সভা আজ বা খুব শিগগির হতে পারে।মজুরি বোর্ড গঠনের জন্য শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নাম প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। বৈঠকে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
শ্রমিক আন্দোলনের সমর্থনে জাতীয় শ্রমিক ফোর্সের একাত্মতা প্রকাশ।
শ্রমিক আন্দোলনে সরকারের দাবি নিয়ে জাতীয় শ্রমিক ফোর্সের সমর্থন

০৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে, জাতীয় শ্রমিক ফোর্স সরকারের বেতন বৃদ্ধির দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তারা চলমান শ্রমিক ধর্মঘটের সমর্থনে এই ঘোষণা করেছে।মঙ্গলবার, ঢাকা শহরের 'বাংলা মোটরে' NSP অফিসের সামনে সংগঠনের নেতারা এক প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমপি আব্দুল হান্নান মাসুদ, কর্মী মাজারুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রিয়াজ মোরশেদ এবং প্রধান সংগঠক আরমান হোসাইন।মাজারুল ফকির দাবি করেছেন যে বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের সাথে নয় মাস জোটবদ্ধ হয়ে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।আওয়ামী লীগ শ্রমিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের চেষ্টা করছে এবং সরকার তাদের শ্রমিক স্বায়ত্তশাসিত আন্দোলনে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।আব্দুল হান্নান মাসুদ জানিয়েছেন, তাদের একটি বেতন বোর্ড গঠনের প্রেক্ষাপটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সেখানে নিজেদের লোকজনকে স্থাপন করা হয়েছে।শ্রমিকরা এই ব্যবস্থার সাথে একমত নন এবং সরকারের অস্বাভাবিক সিদ্ধান্তের কারণে ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে।শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর জন্য বাজারের সাথে সমন্বয় প্রয়োজন, অন্যথায় ধর্মঘট বড় আকার ধারণ করতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত এক শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত এক শ্রমিকের মৃত্যু

গাজীপুরে উচ্চ বেতনের দাবিতে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে আহত হয়ে তৌফিক শেখ নামের এক ২১ বছর বয়সী শ্রমিক মারা গেছেন।তৌফিক, যিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের সিকঝোরিয়া গ্রামের বাসিন্দা, গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় লায়লা গার্মেন্টসে কাজ করতেন।তৌফিক পাঁচ বছর ধরে বাংলাবাজারের বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত ছিলেন। সোমবার, নোমান গ্রুপের টেরিটর গার্মেন্টসের সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করার চেষ্টা করেন।এসময়, কিছু হামলাকারী তৌফিককে আক্রমণ করে গুরুতর আহত করে। তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বাইরের লোকজনের চাপের কারণে একটি কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হওয়ায় শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষ ঘটে।তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের দৃশ্য।
নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেট এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন। সোমবার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন।সকাল ১১টায় থেকে পর্যায়ক্রমে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করা হয়। বেলা তিনটায় শ্রমিকরা অবরোধ করতে সক্ষম হন। কিছুক্ষণ পর শ্রমিকরা আবার সড়ক অবরোধ করেন।অবরোধের কারণে দুই পাশে অনেক যানবাহন আটকে পড়ে। পুলিশ, বিজিবি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য পথে উপস্থিত ছিল। পুলিশ শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরানোর জন্য ১৫ মিনিট সময় নেয়।নিকটবর্তী কিছু গার্মেন্টসের শ্রমিকরা মিছিল বের করে রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। বিএনপির অনেক নেতাকর্মী সড়কের বিভিন্ন জায়গায় উপস্থিত ছিল।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের দৃশ্য।
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এটি চতুর্থ দিনের মতো চলছে এবং সোমবার সকাল সাতটায় পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে অবরোধ শুরু হয়।মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ বাজার, হরিণহাটি, বিশ্বাসপাড়া, আনসার একাডেমি ও সফিপুর বাজার এলাকায় শ্রমিকরা অবস্থান নিয়েছে। আশপাশের কিছু কারখানা খোলা থাকলেও আন্দোলনের কারণে ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং পরে ওই কারখানার শ্রমিকরাও আন্দোলনে যোগ দেন।শ্রমিকদের দাবি হলো ন্যুনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা। অবিলম্বে এটি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একাংশ মহাসড়কে বসে সকালের খাবার খেয়েছে।যাত্রীরা দিনের পর দিন মহাসড়ক অবরোধের কারণে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। আন্দোলনের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে আন্দোলনের নামে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক বিজিবি ও পুলিশ সদস্য এবং একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পৌঁছেছেন। কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।এছাড়া আশুলিয়া শিল্প এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন এবং পুলিশের সাথে তাদের একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। আশুলিয়া এলাকার আর্টিস্টিক ডিজাইন লিমিটেড প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা হামলা চালিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেছে।আশুলিয়ার শারমিন গ্রুপ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের আন্দোলনের চিত্র।
পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের আন্দোলন চতুর্থ দিনে প্রবেশ

মঙ্গলবার পোশাক শিল্পে মজুরি সংক্রান্ত অসন্তোষ চতুর্থ দিন চলছে। মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের কারখানাগুলো থেকে শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।অনেক স্থানে শ্রমিকরা সড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন, যার ফলে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিক্ষোভের কারণে বেশ কিছু কারখানা সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।বিজিএমইএ সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত মোট ৩০৬টি কারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে মালিকরা। বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে ১৬টি গাজীপুরে, ৯৩টি আশুলিয়ায় এবং ৫২টি মিরপুরে অবস্থিত।এই কারখানাগুলোতে প্রায় সাত লাখ শ্রমিক কাজ করেন। বিজিএমইএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত, সোমবারে ৬৭৯টি কারখানা বন্ধ ছিল।নারায়ণগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে আজ পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং সকল কারখানায় উৎপাদন চলছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে মাসিক ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণসহ অন্যান্য দাবিতে আন্দোলন চলছে। শ্রমিকরা কালোতালিকা বাতিল এবং ছাঁটাই বন্ধ করার দাবিও করছেন।শ্রমিকদের অভিযোগ, একবার কালোতালিকাভুক্ত হলে অন্য কারখানায় কাজ পাওয়া যায় না। রবিবার সরকার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, তারপরও আন্দোলন থামেনি।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীকী চিত্র।
পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলন, সরকার সতর্কতা জারি করেছে

পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলন চলছে। শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আন্দোলন করছেন।সরকার মনে করছে, সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে মালিকেরা সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।সরকার ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার মিরপুর এলাকায় প্রায় ৬০০ কারখানা বন্ধ রয়েছে।সরকার শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রমিক নেতারা মজুরি বোর্ড গঠনে সরকারের দেরির কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, কারখানা চালাতে পারছেন না।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গণবিজ্ঞপ্তি জারি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আজ সোমবার এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।কালিয়াকৈর উপজেলা প্রশাসন বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের সতর্ক করার জন্য এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে, ভাড়াটেদের বাসায় যদি বহিরাগত ব্যক্তি বা অপরাধ চক্রের সদস্য অবস্থান করে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে।বাড়ির মালিকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রশাসনকে বিষয়টি না জানালে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার দায় বাড়ির মালিকদের ওপর বর্তাবে।গণবিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে জানা গেছে, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব বেশি পড়েছে।এ সময় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
হবিগঞ্জের চা শ্রমিকদের মজুরি বন্ধ থাকার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
হবিগঞ্জের চা শ্রমিকদের মজুরি তিন সপ্তাহ ধরে বন্ধ

হবিগঞ্জের দেউন্দি টি কোম্পানির আওতাধীন চারটি চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি তিন সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার চা শ্রমিক পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।বাগান গিলানি, কাপাই ও রঘুনন্দনেও শ্রমিকদের কাজ বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা ছয় দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন। প্রত্যেক শ্রমিকের চার হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে। চারটি বাগানের মোট পাওনার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি টাকা।শ্রমিকরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক শ্রমিকদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।দেউন্দি কোম্পানির উপমহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজ থেকে বিরত রয়েছেন। শ্রমিকদের মৌলিক গৃহায়ণ সুবিধা বন্ধ রয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এছাড়া ৪৭ মাসের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা শ্রমিকদের দেওয়া হয়নি।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
শ্রমিক আন্দোলন ও মজুরি বোর্ডের আলোচনা নিয়ে একটি চিত্র।
শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাবুল আখতার

সোমবার রাজধানীর শ্রম ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাবুল আখতার শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে শ্রমিকদের বর্ধিত মজুরি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।শ্রমিক নেতারা বর্তমান মূল্যস্ফীতি এবং শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য মজুরিকাঠামো নির্ধারণের কথা বলেন।সরকার গত রোববার নতুন ছয় সদস্যের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। নতুন বোর্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে এ বি এম শামছুদ্দিন ও আসিফ আইয়ুব রয়েছেন।শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাবুল আখতার ও আনোয়ার হোসাইন রয়েছেন। নিরপেক্ষ প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ রয়েছেন।বাবুল আখতার বলেন, অনেক শ্রমিক ও শ্রমিক নেতাকে আটক করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য আটক শ্রমিক ও নেতাদের মুক্তি দাবি করা হয়েছে। সরকারের, মালিকের ও শ্রমিকদের সম্মিলিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের আলোচনা সংক্রান্ত একটি চিত্র।
শ্রম ভবনে পোশাক শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান

শ্রম ভবনে ০২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার পোশাক শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি জানান, শ্রমিকরা বর্তমানে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করছেন।বাবুল আখতার সরকারের কাছে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক নেতাদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, জানুয়ারিতে শ্রমিকদের বাড়তি মজুরি পাওয়ার জন্য মজুরি বোর্ডে কাজ করবেন।সরকার ৬ সদস্যের 'নিম্নতম মজুরি বোর্ড' গঠন করেছে, যার চেয়ারম্যান শেখ আশফাকুর রহমান। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে পোশাক খাতে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করা হয়।মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0