সরকার

সরকার গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন

সরকার গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।বোর্ডের প্রথম সভা বুধবার সকাল ১১টায় সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত হবে। সভার সময় পূর্বে দুপুর ৩টায় নির্ধারিত ছিল, যা পরে পরিবর্তন করা হয়েছে।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সময় পরিবর্তনের বিষয়টি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে।বিইজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রমিকদের বেতন ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বুধবার বোর্ডের সভা convene করার অনুরোধ জানান।বোর্ডে নিয়োগকৃত সদস্যদের মধ্যে নিয়োগকর্তা, শ্রমিক এবং নিরপেক্ষ সদস্য রয়েছে। বোর্ডটি শিল্পের সব কাজের জন্য নতুন মজুরি প্রস্তাব করবে, যা সরকার গেজেটে প্রকাশ করবে।আগের মজুরি ছিল টাকার ১২,৫০০, যা ডিসেম্বর ২০২৩ সালে নির্ধারিত হয়েছিল। সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্বিবেচনার সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে তিন বছরে কমিয়ে আনা হয়েছে।সুপার শপ শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ডের সভা আজ অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
জাহেদ উর রহমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও পদক্ষেপ নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন।
জাহেদ উর রহমানের মতামত: বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ ও পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান একটি মতামত লিখেছেন যেখানে তিনি শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক পদক্ষেপ, আইন-শৃঙ্খলা এবং আইন সংশোধন সম্পর্কে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।লেখক ৫ আগস্টকে একটি উল্লেখযোগ্য তারিখ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান সরকার আট মাস ধরে ক্ষমতায় আছে। চলতি অর্থবছরে সরকার ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করার পরিকল্পনা রেখেছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য মাসিক আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।লেখক জানিয়েছেন, ভিজিএফ ও খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে চালের বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং ভোলার গ্যাসক্ষেত্র দ্রুত কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে।সরকার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা ও নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, একজন সংসদ সদস্য এবং একজন প্রতিমন্ত্রীকে অভিযোগের ভিত্তিতে পদত্যাগ করতে হয়েছে।লেখক অভিযোগ করেছেন, হাসিনা সরকারের আমলে পুলিশের সামরিকীকরণ ঘটেছিল। ৫ আগস্টের আগে মাজার, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা হয়েছিল। সরকার সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং অর্ধেকের বেশি ভোটারের সমর্থন পেয়েছে।তিনি স্বীকার করেছেন, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগ উঠছে। তৃণমূল পর্যায়ে চাঁদাবাজি চিহ্নিত করার কাজ চলছে। নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে কিছু আইন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।লেখক দাবি করেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব-পরিস্থিতি এবং আওয়ামী শাসনামলের লুটপাটের কারণে সংকটে পড়েছে। হাসিনা সরকার দেশী জ্বালানি সম্পদ উন্নয়নে যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
শ্রমিক আন্দোলনের সমর্থনে জাতীয় শ্রমিক ফোর্সের একাত্মতা প্রকাশ।
শ্রমিক আন্দোলনে সরকারের দাবি নিয়ে জাতীয় শ্রমিক ফোর্সের সমর্থন

০৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে, জাতীয় শ্রমিক ফোর্স সরকারের বেতন বৃদ্ধির দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তারা চলমান শ্রমিক ধর্মঘটের সমর্থনে এই ঘোষণা করেছে।মঙ্গলবার, ঢাকা শহরের 'বাংলা মোটরে' NSP অফিসের সামনে সংগঠনের নেতারা এক প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমপি আব্দুল হান্নান মাসুদ, কর্মী মাজারুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রিয়াজ মোরশেদ এবং প্রধান সংগঠক আরমান হোসাইন।মাজারুল ফকির দাবি করেছেন যে বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের সাথে নয় মাস জোটবদ্ধ হয়ে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।আওয়ামী লীগ শ্রমিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের চেষ্টা করছে এবং সরকার তাদের শ্রমিক স্বায়ত্তশাসিত আন্দোলনে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।আব্দুল হান্নান মাসুদ জানিয়েছেন, তাদের একটি বেতন বোর্ড গঠনের প্রেক্ষাপটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সেখানে নিজেদের লোকজনকে স্থাপন করা হয়েছে।শ্রমিকরা এই ব্যবস্থার সাথে একমত নন এবং সরকারের অস্বাভাবিক সিদ্ধান্তের কারণে ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে।শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর জন্য বাজারের সাথে সমন্বয় প্রয়োজন, অন্যথায় ধর্মঘট বড় আকার ধারণ করতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সরকার মো. বাবুল মিঞাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে।
সরকার মো. বাবুল মিঞাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিলেন

সরকার মো. বাবুল মিঞাকে অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদে উন্নীত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত সোমবার এই পদোন্নতির সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে।মো. বাবুল মিঞা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পদোন্নতির পরেও তিনি বিসিআইসির চেয়ারম্যান (সচিব) পদে বনে থাকবেন।বিসিআইসিতে যোগদানের পূর্বে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান করেছিলেন।তিনি বিভিন্ন জেলায় সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে মাঠ প্রশাসনে কাজ করেছেন। এছাড়াও, তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পাবনা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পাবনায় বিএনপির মতবিনিময় সভায় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

পাবনা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক ও স্থানীয় নির্বাচনের আগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নাহিদ ইসলাম সরকারের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে আলোচনা করেছেন।নাহিদ ইসলাম গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, সরকার সঠিক সময়ে পরিকল্পনা নিতে ব্যর্থ হলে আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হয়।তিনি বলেন, ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে হারানো যাবে না। সরকারের দায়িত্ব হবে আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের involvement থাকলে।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সারাদেশে ফ্যাসিস্টের নেতাকর্মী পড়ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু বর্তমানে বিএনপির কন্ট্রোলে রয়েছে।সভায় তিনি কর্মসূচি পালন করার কথা উল্লেখ করেন, যা সরকারি দলের নৈরাজ্য, ব্যর্থতা এবং গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে। জনগণকে রাজপথে নামার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ রাজপথেই সরকারকে জবাব দিতে হবে।নাহিদ ইসলাম জানান, সরকারের ব্যর্থতার কারণে ডিসেম্বর মাসে কিছু ঘটলে তা আওয়ামী লীগের সমঝোতার কারণ হবে। এনসিপি রাজপথে থেকে প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছে।মতবিনিময় সভায় আলী আহসান জুনায়েদ, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, ইমরান ইমন এবং মাহিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সরকারি ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকারদের নিয়োগের বিষয়ক একটি চিত্র।
সরকারি ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকারদের এমডি নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে অগ্রণী ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে বেসরকারি ব্যাংকের দুজন নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে।নিয়োগের আগে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পদে নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা পরিবর্তনের আলোচনা চলছিল। স্থানীয় পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।বাংলাদেশে সাধারণত সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যায়, তবে এই নিয়োগ সিদ্ধান্ত দ্রুত গতিতে নেওয়া হয়েছে।সরকারি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং জেনারেল ম্যানেজাররা নিজেদের পেশার শীর্ষ পদে পৌঁছানোর সুযোগ সীমিত হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।বেসরকারি ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তারা বড় সরকারি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিছু লোক এই সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন বলছেন, যদিও এর আগে অগ্রণী ব্যাংকের সিইও পদে একজন বেসরকারি ব্যাংকের নির্বাহী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভের চিত্র।
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সমর্থন

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর পল্টন মোড়ে সিপিবির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাদেকুর রহমান শামীম সমাবেশটি পরিচালনা করেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, কন্ট্রোল কমিশন চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মন্টু ঘোষ। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি যুক্তিসঙ্গত।তিনি অভিযোগ করেন, সরকার শ্রমিকদের দাবি উপেক্ষা করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন দমন করছে। ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক নুর আহমেদ বকুল সরকারের প্রতি শ্রমিকদের দাবি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি এক বিবৃতিতে একই দাবি জানিয়ে বলেছে, সরকার আন্দোলন দমন ও রাজনৈতিক তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পুলিশ ও বিজিবির হামলার নিন্দা জানিয়েছে।সাইফুল হক বলেন, অনির্দিষ্টকাল কারখানা বন্ধ রাখা সংকটের সমাধান নয়। বরং সরকার ও মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুলসহ অন্যান্য নেতারা পুলিশি হামলা বন্ধ, মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার নাগরিকদের জন্য জরুরি সামগ্রী প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে জরুরি সামগ্রী প্রস্তুতির পরামর্শ দিচ্ছে সরকার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার নাগরিকদের জন্য জরুরি সামগ্রী প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিচ্ছে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স নাগরিকদের তিন দিনের প্রস্তুতির জন্য বলছে।সুইডেন ও নরওয়ে এক সপ্তাহ এবং জার্মানি ১০ দিনের প্রস্তুতির পরামর্শ দিয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার ২২ অক্টোবর 'বি রেডি' নামের একটি প্রচারাভিযান শুরু করে।সরকারের নির্দেশনায় একজনের জন্য প্রতিদিন তিন লিটার খাবার পানি এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।যুক্তরাজ্যের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে জরুরি সামগ্রীর বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আইসল্যান্ড সুপারমার্কেট চেইনে এক সপ্তাহান্তে টিনজাত খাবারের বিক্রি ৪০ শতাংশ বেড়েছে।যুক্তরাজ্যের রবার্ট ডায়াস প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের রেডিও বিক্রি আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৬০ শতাংশ বেড়েছে। ম্যাপলিনের হিসাবে, সরকারি ঘোষণার পর রেডিওর বিক্রি ৯২ শতাংশ বেড়েছে।ইউরোপীয় কমিশন ২০২৫ সালের মার্চে 'প্রিপেয়ারডনেস ইউনিয়ন স্ট্র্যাটেজি' ঘোষণা করে। সুইডেনের সরকারি নির্দেশিকায় সংকটের পাশাপাশি যুদ্ধের পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ আছে।যুক্তরাষ্ট্রের 'ফোর্ট্রেস আমেরিকা' উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সামরিক ঘাঁটিগুলো ৯০ দিন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীকী চিত্র।
পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলন, সরকার সতর্কতা জারি করেছে

পোশাক খাতে শ্রমিক আন্দোলন চলছে। শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আন্দোলন করছেন।সরকার মনে করছে, সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে মালিকেরা সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।সরকার ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার মিরপুর এলাকায় প্রায় ৬০০ কারখানা বন্ধ রয়েছে।সরকার শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রমিক নেতারা মজুরি বোর্ড গঠনে সরকারের দেরির কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, কারখানা চালাতে পারছেন না।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
সরকার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির প্রচার ও অংশগ্রহণ বাড়াতে চায়।
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির প্রচারে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ০২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি ভবনের সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান। তিনি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন।সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রসার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় এমআরএর পরিচালক আব্দুল মান্নান এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসান বক্তব্য দেন।সভায় দেশের প্রায় অর্ধ শতাধিক বৃহৎ এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অর্থ বিভাগ, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।সভায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কার্যক্রম, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং এনজিওগুলোর মাধ্যমে কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।ড. সুরাতুজ্জামান এনজিওগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
শিক্ষার্থীরা পুরনো বাণিজ্য মেলা মাঠে জমি চাষ করছে।
শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ০২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার পুরনো বাণিজ্য মেলা মাঠে জমি চাষ শুরু করেছে। তারা ট্র্যাক্টর ব্যবহার করে জমি চাষ করছে।শিক্ষার্থীরা সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, যেখানে সেখানে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।শিক্ষার্থীরা পূর্বে এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল। মন্ত্রণালয় পরে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার বন্ধের ঘোষণা দেয়।শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে মেলা পরিচালনাকারীরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাঠামোগুলি অপসারণ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর জানিয়েছেন যে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ সরকারের নতুন পে-স্কেল এবং বাড়তি বেতনের চিত্র।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে

বাংলাদেশ সরকার পহেলা নভেম্বর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বাড়তি বেতন প্রদান শুরু করবে।সরকার বাড়তি বেতন দেওয়ার জন্য ঋণ নিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বেসরকারি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সরকার ১৪ দিন মেয়াদী বিশেষ ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। চলতি মাসে ট্রেজারি বিল বন্ডের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। সরকারের বাজেটে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জুনে বাজেট বক্তৃতায় নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা হবে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের ঋণ নির্ভরতা বাড়ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের কারণে সরকারের ব্যয় বেড়েছে।

Desk Reporter অক্টোবর ২৯, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Top week

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা
অর্থনীতি

ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0