আন্তর্জাতিক

পেহেলগাম হামলার নিন্দা, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ব্রিকসের

হোসেন মাঝি সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পেহেলগাম হামলার নিন্দা, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ব্রিকসের
ব্রিকসের

 


ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সব ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জোটের নেতারা বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দ্বৈত মানদণ্ড গ্রহণ করা যাবে না। খবর এনডিটিভির।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে গৃহীত ১৪০ দফার ঘোষণাপত্রের ৪০তম দফায় পেহেলগাম হামলার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে ব্রিকস নেতারা বলেন, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে চালানো সন্ত্রাসী হামলার ‘কঠোরতম ভাষায়’ নিন্দা জানাচ্ছেন তারা। ওই হামলায় ২৬ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন।


পেহেলগামের বৈসারান উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর চালানো ওই হামলা ভারতের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচিত হয়। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন পর্যটক ও স্থানীয় এক ঘোড়ার গাড়িচালক ছিলেন।

ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সব কর্মকাণ্ডই অপরাধমূলক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল বা কারা তা সংঘটিত করেছে, তা বিবেচনা না করেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায় না।

ঘোষণাপত্রে কোনো রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবাদে মদদের অভিযোগ তোলা হয়নি। তবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসীদের চলাচল, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সন্ত্রাসবাদকে কোনো ধর্ম, জাতীয়তা, সভ্যতা বা জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি এবং তাদের সহযোগীদের সংশ্লিষ্ট জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর প্রতি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন নেতারা। একই সঙ্গে সন্ত্রাস দমনে দ্বৈত মানদণ্ড প্রত্যাখ্যান এবং জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত সব সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঘোষণাপত্রে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উগ্রবাদ ও মৌলবাদী চিন্তার বিস্তার ঠেকানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা এবং কার্যকর পদ্ধতি বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়।

এর আগেও পেহেলগাম হামলার নিন্দা জানিয়েছিল ব্রিকস। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ঘোষণাপত্রেও হামলাটির নিন্দা জানানো হয় এবং সন্ত্রাসবাদের সব ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এরপর চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনেও পেহেলগাম হামলার নিন্দা জানানো হয়।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

আন্তর্জাতিক

View more
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন মুসলিম প্রার্থীরা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন মুসলিম প্রার্থীরা

  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস ও অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন আরব বংশোদ্ভূত ও মুসলিম প্রার্থীরা। মুসলিমবিরোধী বক্তব্য ও তাদের সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে চালানো প্রচারণার মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন তারা। এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মিশিগানের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও মিসরীয় বংশোদ্ভূত চিকিৎসক আবদুল আল-সাইয়েদ। গাজায় ইসরাইলি হামলায় আহত ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসা করা একজন শল্যচিকিৎসকও কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত প্রার্থীও জয় পেয়েছেন। নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার মিত্ররা মুসলিম প্রার্থীদের লক্ষ্য করে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। বিশেষ করে মিশিগানের আবদুল আল-সাইয়েদের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও অন্তত সাতজন মুসলিম প্রার্থী কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন সিনেটর এবং ছয়জন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। নির্বাচনে জয়ী আরব ও মুসলিম বংশোদ্ভূত উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের কয়েকজন হলেন— ১. আবদুল আল-সাইয়েদ মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ৪২ বছর বয়সি মিসরীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদ। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আল-সাইয়েদ নির্বাচনি প্রচারে স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং রাজনীতিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি ইসরাইল ও মিসরকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তারও সমালোচনা করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। ২. আদম হামাওয়ি নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী গ্রেগ মেলেকে হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মিসরীয় বংশোদ্ভূত শল্যচিকিৎসক আদম হামাওয়ি। এর মধ্য দিয়ে নিউ জার্সি থেকে কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হয়েছেন তিনি। হামাওয়ি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক শল্যচিকিৎসক। ২০০৪ সালে ইরাকে তার হেলিকপ্টার গুলিবিদ্ধ হয়ে ভূপাতিত হওয়ার পর ভবিষ্যতের সিনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। পরবর্তী সময়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গাজায় গিয়ে ইসরাইলি হামলায় আহত ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসা করেন হামাওয়ি। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম হওয়া শিশুরাও ছিল। ৩. রাশিদা তালিব মিশিগানের ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট রাশিদা তালিব। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম দুই মুসলিম নারীর একজন ছিলেন তিনি। গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার সমালোচক হিসেবে পরিচিত রাশিদা। ৪. ইলহান ওমর মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন সোমালি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট ইলহান ওমর। কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম নারীদের একজন তিনি। ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার বারবার সমালোচনা করেছেন ইলহান। এ কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণেরও শিকার হয়েছেন তিনি। ৫. দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ে নিউইয়র্কের ১৩তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন ৩৩ বছর বয়সি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের। ডোমিনিকান বংশোদ্ভূত এই নারী যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম লাতিনা মুসলিম নারী বলে জানা গেছে। নাগরিক অধিকার নিয়ে আন্দোলন এবং ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আগে থেকেই পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। ৬. আন্দ্রে কারসন ও লতিফা সাইমন আরো দুই মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের একজন আন্দ্রে কারসন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে ইন্ডিয়ানার সপ্তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এবারও আসনটি ধরে রেখেছেন তিনি। অন্যদিকে নাগরিক অধিকারকর্মী লতিফা সাইমন ক্যালিফোর্নিয়ার ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে আরেক মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন। ৭. আবের কাওয়াস ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত সংগঠক আবের কাওয়াস নিউইয়র্কের ১২তম স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ১৯৪৮ সালে তার পরিবার ফিলিস্তিন থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। পরে তারা যুক্তরাষ্ট্রে বসতি স্থাপন করেন। নির্বাচনি প্রচারে সাশ্রয়ী আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসীদের অধিকার এবং গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের বিরোধিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন কাওয়াস। ৮. আব্বাস আলাউয়িয়াহ্‌ লেবানিজ বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্বাস আলাউয়িয়াহ্‌ মিশিগানের দ্বিতীয় স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এই নির্বাচনি এলাকার মধ্যে ডিয়ারবর্ন ও আশপাশের কয়েকটি সম্প্রদায় রয়েছে। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ইসরাইলনীতির প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘আনকমিটেড’ আন্দোলন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছিলেন আলাউয়িয়াহ্‌। ৯. নাবিলা সাইয়েদ ইলিনয়ের ২৬তম স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী ডারবি হিলসকে পরাজিত করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম ডেমোক্র্যাট নাবিলা সাইয়েদ। এর আগে তিনি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ছিলেন। এবারের জয়ের মধ্য দিয়ে আসনটি রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অন্যান্য আরব ও মুসলিম প্রার্থীর জয় ইলিনয়ের কংগ্রেসনাল আসন ধরে রেখেছেন আরব বংশোদ্ভূত রিপাবলিকান ড্যারিন লাহুড। তার প্রপিতামহ ও প্রপিতামহী লেবানন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছিলেন। নিজের লেবানিজ বংশপরিচয় নিয়ে গর্বের কথা জানিয়েছেন তিনি। লাহুড বলেছেন, ‘এই বংশপরিচয় নিয়ে আমি খুবই গর্বিত।’ যুক্তরাষ্ট্র-লেবানন ফ্রেন্ডশিপ ককাসের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ওয়াশিংটন ও বৈরুতের সম্পর্ক জোরদার করতে কাজ করেছেন লাহুড। এ ছাড়া অঙ্গরাজ্যগুলোর আইনসভা নির্বাচনে কয়েকজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত প্রার্থী জয় পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন কলোরাডোর ২৯তম স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্টের ইমান জোদেহ এবং জর্জিয়ার সপ্তম স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্টের রুয়া রোমান। ইলিনয়ে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদেলনাসের রশিদও অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের আসন ধরে রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনে জয়ী অন্য মুসলিম নারীদের মধ্যে রয়েছেন মিনেসোটার জয়নব মোহাম্মদ, ওহাইওর মুনিরা আবদুল্লাহি, কানেকটিকাটের মরিয়ম খান এবং ডেলাওয়ারের মদিনা উইলসন-অ্যান্টন। এছাড়া টেক্সাসে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আইনপ্রণেতা সালমান ভোজানি ও সুলেমান লালানি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। কানেকটিকাটের স্টেট সিনেট আসন ধরে রেখেছেন সৌদ আনোয়ার। পেনসিলভানিয়ার প্রতিনিধি পরিষদে আরেক মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন তারিক খান।

News নভেম্বর ৫, ২০২৬ 0
ট্রাম্পের ভরাডুবি: ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে ৫১, কংগ্রেসেও ব্যাপক এগিয়ে

ট্রাম্পের ভরাডুবি: ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে ৫১, কংগ্রেসেও ব্যাপক এগিয়ে

দক্ষিণ ফ্লোরিডায় একটি লারজেট ৬০ বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার প্রতীকী চিত্র

দক্ষিণ ফ্লোরিডায় লারজেট ৬০ বিমান বিধ্বস্ত, ৯ জন নিহত

আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি

আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সোমবার (০২ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম) উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৈঠকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উভয় মন্ত্রী। যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শক্তিশালী বাণিজ্যিক উপস্থিতি, বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ এবং জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার জন্য এয়ারবাস কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের চুক্তির বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন দুই মন্ত্রী। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রো‌হিঙ্গা‌দের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তি‌নি একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্যের অব্যাহত মানবিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

News নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
আসামে বেলুনের সঙ্গে বাঁধা যুবদলের ব্যানার, তদন্তে ভারতীয় পুলিশ

আসামে বেলুনের সঙ্গে বাঁধা যুবদলের ব্যানার, তদন্তে ভারতীয় পুলিশ

দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ শুরু, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার

দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ শুরু, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার

মোদি-আদানি নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ঘিরে তোলপাড়, কী আছে তাতে

মোদি-আদানি নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ঘিরে তোলপাড়, কী আছে তাতে

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ভারত
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ভারত

  ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে অত্যন্ত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বা ৮৪ মাইল বেগে বাতাস বইছে।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে অর্ণব অতিক্রম করার পর মহাসড়কে গাছপালা ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়। ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্য থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বিমান ও ট্রেন চলাচল বাতিল করার পাশাপাশি কিছু বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ঝড়ের কবলে থাকা অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনাড়া জেলার এক বাসিন্দা বলেন, ‘কার বাড়িতে যে পানি কখন ঢুকে পড়বে কিংবা কার ঘর যে ডুবে যাবে, তা কেউ জানত না।’ ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জোয়ারের পানির চেয়ে দেড় মিটার পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দিয়ে অন্ধ্র প্রদেশের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। স্থলভাগে প্রবেশ করার পর তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেলেও অর্ণব ‘অত্যন্ত তীব্র ঘূর্ণিঝড়’ হিসেবে উপকূলে আঘাত হানে। প্রতিবেশী দেশ নেপালে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ, তুষারঝড় ও তুষারধসের আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের উচ্চ উচ্চতার অঞ্চলে প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ তিন দিনের জন্য ট্রেকিং পারমিট ইস্যু করা স্থগিত রেখেছে, যেখানে এটি ছিল শীর্ষ হাইকিং মৌসুম এবং প্রতিদিন প্রায় ৭৫০ জন হাইকার পারমিট পেয়ে আসছিলেন।  উল্লেখ্য, নেপাল গত আগস্টে সংঘটিত হিমবাহ ধসের বিপর্যয় থেকে এখনও পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে, যে দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল এবং অন্তত ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়াও শ্রীলঙ্কাতেও বিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং দেশটির আবহাওয়া বিভাগ এই ঝড়ের কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা জারি করেছে। সূত্র: আল জাজিরা

News অক্টোবর ২৮, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নির্দেশনা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নির্দেশনা

তেহরানে ইরান-সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের বৈঠক

তেহরানে ইরান-সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের বৈঠক

গালিবাফকে ছাড়াই ভারতে ব্রিকসের বৈঠকে অংশ নিচ্ছে ইরান

গালিবাফকে ছাড়াই ভারতে ব্রিকসের বৈঠকে অংশ নিচ্ছে ইরান

0 Comments